1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. mshc@hotmail.co.uk : ইউকে বিডি২৪ : ইউকে বিডি২৪
  3. : :
  4. zufgvwrswv@bqocm.com : i30snk19ry cja1ten1jc : i30snk19ry cja1ten1jc
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ০২:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
#ঘরে_থাকুন, নিরাপদ থাকুন! নিয়মিত হাত পরিষ্কার করুন, অন্যের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, সচেতন থাকুন।

রোজার আগেই বাজারে উত্তাপ

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

রমজানের আগে গতকাল ছিল শেষ শুক্রবার। অন্যান্য দিনের তুলনায় বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল বেশি। এদিকে নিত্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে চড়া মূল্যে। সিলেটের বিভিন্ন বাজারে দেখা গিয়েছে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে খেজুরসহ বিভিন্ন ফলের দাম। মাংসের বাজারও চড়া। তবে আলু, দেশি রসুন, বেগুন, মুরগির মাংস, গরুর মাংস এবং প্রায় সব ধরনের ডাল বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। ইফতারের অন্যতম অনুসঙ্গ খেজুর কিন্তু এ বছর নিম্নমানের খেজুরের কেজিও পাচশ’ টাকা। অন্য সব ধরণের খেজুরের দামও বেড়েছে কেজিতে দুই থেকে তিনশ’ টাকা। খেজুর ছাড়াও প্রায় সব ধরণের ফলের দামও বেড়েছে। নিত্য পণ্যের উচ্চ মূল্যে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল লক্ষণীয়।

সিলেট সিটির ভিতরে বাজার কর‍তে আসা ক্রেতারা বলছেন, সরকার রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে বললেও সেটা হচ্ছে না। সবকিছুর দামই বেড়েছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতারা বেশি চাহিদা দেখাচ্ছে বলেই সবকিছুর দাম বাড়তি।

নগরীর কাঁচাবাজারে সরেজমিন দেখা গেছে, রোজায় চাহিদা বেশি থাকে এমন সবজির দাম বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলু ও সব ধরনের বেগুন। এই দুই সবজির দাম বেড়েছে যথাক্রমে ৫ টাকা ও ২০ টাকা। এসব সবজি ছাড়া অন্যান্য সবজির দাম কিছুটা বাড়া-কমা বা অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে শিম ৬০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ৪০ টাকা, মটরশুঁটি ৬০ টাকা, সাদা মুলা ৬০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা, কালো গোল বেগুন ৮০ টাকা, শসা ৬০-৮০ টাকা, খিরাই ৪০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা, করলা ১৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, পটল ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, সজনে ২০০ টাকা, কচুরমুখী ১২০, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, ধনেপাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতিটি লাউ ১০০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি এখন ৮০০ টাকা। সব জাতের মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। বয়লার ছিল ২শ’ টাকা এখন ২৪০, কক মুরগি ছিল ৩০০-৩২০ এখন ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুদি দোকানের অন্যান্য পণ্যের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত। আজকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬৩ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৪৯ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১৪৫ টাকা, খোলা চিনি ১৪০ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৫০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১৩০ টাকা, খোলা সরিষার তেল প্রতি লিটার ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক্ষেত্রে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম কমেছে প্রতি লিটারে ১০ টাকা করে।

ব্যবসায়ীরা জানান, সব খেজুরে ২ থেকে ৩শ’ টাকা বেড়েছে। এমনও খেজুর আছে ৫শ’ টাকা বেড়েছে কেজিতে। গতবছর ৪-৫শ’ টাকায় মোটামুটি ভালো খেজুর পাওয়া গেছে কিন্তু এবার সেই খেজুর ৮শ’ টাকা। এক সপ্তাহ আগে যে চিনিটা ৬ হাজার ২০ টাকায় কিনেছি কিন্তু গতকাল সেই চিনি এনেছি ৬ হাজার ৭৪০ টাকায়। তবে ছোলার দাম বাড়েনি, আগের দামই আছে।

ক্রেতারা বলছেন, প্রতিবছরের মতো এবারের রোজায়ও নিত্যপণ্যের দাম বেশ বাড়তি। দু’মাস আগে যে দামে কিনেছি তার থেকে কিছুটা বাড়তি। যখন যেটা বেশি লাগে তখন সেটারই দাম বেড়ে যায়। অদ্ভুত এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি। শুধু কথার কথা নয়, বাজার মনিটরিংয়ে দাম নাগালে আনার দাবি ক্রেতাদের।

এদিকে সবজি বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, ক্রেতারা একদিনে সব কিনতে চায়। এতে বাজারে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। আর এটা আগে বুঝতে পেরেই জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয় পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তখন বাজারে এসে কাস্টমাররা বলেন দাম বেশি। তারা আগে-পরে কিনলেই কিন্তু এমন হয় না।

সিলেট/আবির

About Author

শেয়ার করুন

Facebook Comments

আরো সংবাদ পড়ুন